50 টি মহাকাশ সম্বন্ধীয় মজাদার ও আকর্ষণীয় বাংলা ফ্যাক্ট | 50 interesting space facts in bengali

50 interesting space facts about the universe in Bengali 


নমস্কার বন্ধুরা অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি 50 টি মহাকাশ সম্বন্ধীয় মজাদার ও আকর্ষণীয় বাংলা ফ্যাক্ট যা আপনার হুস উড়িয়ে দেবে। 

যেমন , নেপচুনের উপগ্রহ ট্রাইটন, নেপচুন কে উল্টো দিকে প্রদক্ষিণ করে। আমাদের সৌরজগতে ট্রাইটনই একমাত্র উপগ্রহ যে এরকম করে।


মহাকাশ সম্বন্ধে তথ্য বা ফ্যাক্ট সব সময় আকর্ষণীয় হয়। এবং জানতে এবং জানাতে বেশ মজা লাগে।
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য গত শতাব্দী তুলনায় নিশ্চিতভাবে বলা যেতে পারে যে, আমরা এখন মহাকাশ সম্বন্ধে বেশি জানি। আমরা
সৌরজগৎ, চাঁদ, মিল্কিওয়ে, এবং তার বাইরের কিছু গ্রহ-নক্ষত্রের কথা ও জানতে পেরেছি আমরা । 


তবে আর অপেক্ষা করে কি লাভ ?  চলুন fanfact 
এর রকেটে চড়ে, জ্ঞানের সন্ধানে আমাদের মহাকাশ সম্বন্ধে 50 টি মজাদার ও আকর্ষণীয় বাংলা ফ্যাক্ট গুলি চটপট জেনে নিন।

১. আমাদের সৌরজগতের বুধ ও শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।

২. যদি কোনো নক্ষত্র কোনো ব্ল্যাকহোলের খুব কাছ থেকে যায় ,তবে নক্ষত্রটি দু'ভাগে ভাগ হয়ে যেতে পারে।

৩. শুক্র হলো আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণতম গ্রহ।

৪. আমাদের সৌরজগতের বয়স প্রায় 4.5 বিলিয়ন বছর।

৫. শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ আছে যা সূর্যের আলোর 90% প্রতিফলিত করে এবং এই  উপগ্রহ টির নাম এনসেলাডাস।

৬. মিল্কিওয়ে আমাদের গ্যালাক্সি এবং এটি 1 লক্ষ 5 হাজার 700 আলোকবর্ষ চওড়া।
মঙ্গল গ্রহে অবস্থিত
৭. এক আলোকবর্ষ মানে এক বছরে আলো যতদূর যাবে, ততটা পথ। বা সোজা ভাষায় 590 3026 326 255 মাইলের সমান।

৮. সূর্যের ওজন কত জানেন ? পৃথিবীর 330000 গুন।

৯. বাতাস না থাকায় চাঁদে থাকা পায়ের ছাপ  কখনই অদৃশ্য হয়ে যাবে না।

১০. কম মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে, পৃথিবীতে 220 পাউন্ড ওজনের একজন ব্যক্তির মঙ্গলে 84 পাউন্ড ওজন হবে।

১১. বৃহস্পতি গ্রহের 79 টি উপগ্রহ রয়েছে ,যা বৃহস্পতি গ্রহ কে প্রদক্ষিণ করে।

১২. মঙ্গল গ্রহে একদিন মানে পৃথিবীর 24 ঘন্টা 39 মিনিট 35 সেকেন্ড।

১৩. নাসার দা লুনার ক্রেটার অবজারভেশন অ্যান্ড সেন্সিং স্যাটেলাইট (LCROSS) পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদে জলের অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছে।

১৪. সূর্যে প্রতি 25 থেকে 35 দিনে একবার করে পূর্ণ ঘূর্ণন (full rotation) হয়। 

১৫. পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ, যার নামকরণ কোন ঈশ্বর বা ভগবানের নামে নেই।

১৬. সূর্য এবং চাঁদের মধ্যাকর্ষণ টানের কারণে আমাদের পৃথিবীতে জোয়ার ভাটা হয়।

১৭. প্লুটো গ্রহটি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের থেকেও ছোট।

১৮. ম্যাথামেটিক্স অনুসারে, ব্ল্যাকহোলের পাশাপাশি  "হোয়াইট হোল" সম্ভব । কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমরা এমন কোন কিছুই খুঁজে পাইনি।

১৯. আমাদের সৌরজগতের অন্য যে কোন গ্রহের চেয়ে শুক্রে আগ্নেয়গিরির সংখ্যা অনেক বেশি।

২০. ইউরেনাস গ্রহের নীল আভা ইউরেনাসের বায়ুমন্ডলে থাকা হাইড্রোজেন গ্যাসের অধিকের কারণে তৈরি হয়েছে।

২১. আমাদের সৌরজগতে চারটি গ্রহ আছে যাদের আমরা  "গ্যাস জায়ান্ট"  নামে চিনি।  সেগুলি হল বৃহস্পতি, শনি ,ইউরেনাস ,এবং নেপচুন।

২২. ইউরেনাস গ্রহের এখনো পর্যন্ত 27 টি উপগ্রহ আবিষ্কার করা হয়েছে।

২৩. ইউরেনাস গ্রহে একেকটি ঋতু পৃথিবীর প্রায় 21 বছর বয়সের সময় স্থায়ী হয়।  ভেবে দেখুন একুশ বছর টানা বসন্ত কেমন হবে?

২৪. নেপচুনের উপগ্রহ ট্রাইটন নেপচুন কে পিছনের দিকে প্রদক্ষিণ করে।

২৫. ট্রাইটন ধীরে ধীরে নেপচুনের খুব কাছাকাছি চলে আসছে।

২৬. পৃথিবীতে যত বালিকণা আছে তার চেয়েও বেশি তারা আমাদের মহাকাশে আছে।

২৭. নেপচুন সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে 165 বছর সময় নেয়।

২৮. প্লুটোরও একটি উপগ্রহ আছে , তার নাম চারণ যেটি প্লুটোর আকারের প্রায় অর্ধেক।

২৯. আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন , এখনো পর্যন্ত মহাকাশে পাঠানো সবচেয়ে বড় মনুষ্যবাহী যন্ত্র।

৩০. প্লুটোতে একদিন মানে পৃথিবীর প্রায় 154 ঘন্টার সমান।

৩১. শনিগ্রহ হচ্ছে আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ গ্রহ।

৩২. মহাকাশে জলের ফোঁটা গোলাকার হয়।

৩৩. বুধ, শুক্র, পৃথিবী এবং মঙ্গল এই চারটি গ্রহ কে সাধারণত ইনার প্লানেট বলা হয়।

৩৪. আমরা চাঁদ এবং মঙ্গল সম্বন্ধে যতটা জানি, তার থেকে অনেক কম আমাদের পৃথিবীর নীচের সমুদ্র  সম্বন্ধে জানি।

৩৫. ব্ল্যাক অ্যারো হলো একমাত্র ব্রিটিশ স্যাটেলাইট যা ব্রিটিশ রকেট উৎক্ষেপণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

৩৬. পৃথিবী থেকে মহাবিশ্বের (universe) মাত্র 5% আমরা দেখতে পাই।

৩৭. সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে মাত্র আট মিনিট কুড়ি সেকেন্ড।

৩৮. যেকোনো মুহূর্তে অর্থাৎ যদি আপনি মনে করেন এখন  তবে এক্ষুনি পৃথিবীর কোথাও না কোথাও অন্তত 2000টি বজ্রপাত হচ্ছে।

৩৯. সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।

৪০. যদি আপনি 75 মাইল প্রতি ঘন্টা গতিতে শনি গ্রহের বলয়ের চারপাশে গাড়ি চালাতে পারেন, তাহলে আপনার শনি গ্রহের বলয়ের চারপাশে গাড়ি চালাতে প্রায় 258 দিন সময় লাগবে।

৪১. আউটার স্পেস আপনি ভাবছেন হয়তো অনেক দূরে ,কিন্তু আসলে আউটার স্পেস মাত্র 62 মাইল দূরে। আপনি খাড়াভাবে 62 মাল উঠে গেলে আউটার স্পেস এ প্রবেশ করবেন।

৪২. ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন আমাদের পৃথিবীকে প্রতি 92 মিনিটে একবার করে প্রদক্ষিণ করছে।


৪৩. তারাগুলো জ্বলজ্বল করে কারণ, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে আলো আসার সময় আলোর গতিপথ বিঘ্নিত হয়। আর এই কারণে তারা গুলো জ্বলজ্বল করে।

৪৪. আমরা পৃথিবীর যেখানেই থাকি না কেন ,পৃথিবী থেকে আমরা সর্বদাই চাঁদের একপাশ দেখতে পাই। অপর পাশ দেখতে গেলে আমাদের রকেটে করে চাঁদের উল্টো দিকে যেতে হবে।

৪৫. সাধারণত ছায়াপথ (galaxy) তিন ধরনের হয়ে থাকে উপবৃত্তাকার (elliptical) সর্পিল (spiral) এবং অনিয়মিত (irregular)।

৪৬. মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে প্রায় 100,000 মিলিয়ন তারা রয়েছে।

৪৭. পৃথিবী থেকে আপনি খালি চোখেই 3 থেকে 7 টি আলাদা গ্যালাক্সি দেখতে পাবেন।

৪৮. 2016 সালে বিজ্ঞানীরা ফাইভ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের একটি উৎস থেকে রেডিও সংকেত সনাক্ত করেছিলেন। কে বা কারা পাঠিয়েছে কেনই বা পাঠিয়েছে তা এখনো বুঝে ওঠা হয়নি।

৪৯. পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্যালাক্সি হল অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি। যেটি প্রায় 2.5 মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে।

৫০. প্রথম সুপারনোভা লক্ষ্য করা গিয়েছিল আমাদের গ্যালাক্সিতে 1885 সালে।



bonus 1 .ব্ল্যাকহোলের তোলা প্রথম ছবিটি  পৃথিবীর আয়তনের ৩ মিলিয়ন গুণ বড়।

bonus 2. সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যের দূরত্বকে এক অ্যাস্টোনমিকাল হিসাবে ধরা করা হয়।

কেমন লাগলো আপনার আমাদের প্রতিবেদন ? কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। আমাদের facebook page ফলো করতে ভুলবেন না। বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন, যদি আপনার ভালো লেগে থাকে। আর যেকোনো নতুন পোস্ট বা আর্টিকেল এর ইমেইল নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য আপনি এখানে ক্লিক করতে পারেন। ক্লিক করার পর আপনার নাম ও ইমেইল দিয়ে সাবমিট করে দেবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ